শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০০৯

পি এইচপির উপর অনলাইন বাংলা বই

পি এইচপির উপর অনলাইন বাংলা বই: "


নিচে অধ্যায়ভিত্তিক আকারে কতগুলো লিঙ্ক দেওয়া হল। এগুলোকে পিএইচপি্র অনলাইন বাংলা বই হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।


অধ্যায়- ১ : পিএইচপির ইতিহাস

অধ্যায়- ২ : ইনস্টলেশন

অধ্যায়- ৩ : বেসিক পিএইচপি

অধ্যায়- ৪ : অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড পিএইচপি

অধ্যায়- ৫ : স্ট্রিং

অধ্যায়- ৬ : অ্যারে লাইব্রেরী ফাংশনস

অধ্যায়- ৭ : রেগুলার এক্সপ্রেশন

অধ্যায়- ৮ : সিকিউরিটি

অধ্যায়- ৯ : সকেট প্রোগ্রামিং

অধ্যায়- ১০ : জিডি লাইব্রেরী এবং ইমেজম্যাজিক

অধ্যায়- ১১ : এক্সএমএল ম্যানিপুলেশন

অধ্যায়- ১২ : ফ্রেমওয়ার্ক (CakePHP)

অধ্যায়- ১৩ : Control Structure

অধ্যায়- ১৪ : পিএইচপি ও ডাটাবেইজ ইন্টিগ্রেশন



Posted in পিএইচপি, বাংলায় টেকনোলোজি, শিক্ষা, FREE BOOK DOWNLOAD
"

শিক্ষার্থীদের জন্য চমৎকার একটি ওয়েবসাইট

শিক্ষার্থীদের জন্য চমৎকার একটি ওয়েবসাইট: "


http://admission24.com/ সাইটটি শিক্ষার্থীদের জন্য বেশ কাজের একটা ওয়েবসাইট। এতে -



ইত্যাদি অনেক তথ্য পাওয়া যাবে বাংলায়। যেমন বিদেশে উচ্চশিক্ষা বিষয়ক কয়েকটি টপিক-


দেশ-বিদেশে ভর্তি ও পড়াশোনাঃ সিদ্ধান্ত নিন জেনেশুনে


১.রাশিয়াতে উচ্চশিক্ষা

২.নরওয়েতে উচ্চশিক্ষা

৩. যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষা

৪. যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা

৫. জার্মানিতে পড়াশোনা

৬.কানাডায় পড়াশোনা

নরওয়েতে উচ্চশিক্ষা

৮. অস্ট্রেলিয়ায় বৃত্তিঃ অস্ট্রেলিয়ান লিডারশিপ এওয়ার্ড স্কলারশিপ

৯. জাপানে বৃত্তিঃ ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীদের জন্য

১০.ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষা

১১.চীনে উচ্চশিক্ষা

১২.দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা

১৩. ফিনল্যান্ডে উচ্চশিক্ষা

১৪.আয়ারল্যান্ডে উচ্চশিক্ষা

১৫.থাইল্যান্ডে উচ্চশিক্ষা


এছাড়াও এইচএসসির পর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির তথ্য, এসএসসির পর বিভিন্ন কলেজে ভর্তির তথ্য অনেক সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা আছে সাইটটিতে। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে সাইটটি বাংলায়। তাই, এটি পড়ে বুঝতে পারবেন না এরকম লোক পাওয়া কঠিন। আশা করি সাইটটি ভাল লাগবে আপনাদের।


Posted in তথ্য, বাংলায় টেকনোলোজি, শিক্ষা
"

"রেডিও আড্ডা" এর ২৪ ঘন্টা পরিক্ষামূলক সম্প্রচার

"রেডিও আড্ডা" এর ২৪ ঘন্টা পরিক্ষামূলক সম্প্রচার: "শুরু হলো 'রেডিও আড্ডা' এর ২৪ ঘন্টা পরিক্ষামূলক সম্প্রচার। দেশে অনেক গুলো অনলান রেডিও ভিরে যোগ হলো আরো্একটি অলাইন রেডিও 'রেডিও আড্ডা'[url]www.radioadda.net[/url] 'রেডিও আড্ডা' আমার তৈরি করা রেডিও অটোমেশন সফটওয়্যা ব্যবহার করছে। তাই আপনাদের সাথে ঠিকানা টি সেয়ার করলাম"

শিবির ক্যাডারদের নতুনভাবে জানুন,চিনুন !!

শিবির ক্যাডারদের নতুনভাবে জানুন,চিনুন !!: "শিবির ক্যাডারদের নতুনভাবে জানুন,চিনুন !!



গত ০৬ অক্টোবর (মঙ্গলবার), ২০০৯ আমারব্লগ-এ প্রকাশিত একটি পোষ্ট ।পোষ্টটি ছিল এমন







“নতুন সকাল” অক্টোবর সংখ্যা প্রকাশিত

________________________________________

লিখেছেন : মাই এস কিউ এল ০৬ অক্টোবর (মঙ্গলবার), ২০০৯ ১২:৫২ অপরাহ্ন

বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে আবারও প্রকাশিত হয়েছে 'নতুন সকাল'। এটি এর অক্টোবর সংখ্যা। লগইন করুন.

নতুন সকাল











এই নতুন সকালের সবাই সাবেক শিবির ক্যাডার । ইকবাল সাকী-টা কে ?? একসময়কার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কুখ্যাত শিবির ক্যাডার ???

এই ইকবাইল্যাই হলো এই পত্রিকার উপাদেষ্টা !!অতএব সাধু সাবধাণ !!!

"

সফল হিরোর বিগত সংগ্রাম

সফল হিরোর বিগত সংগ্রাম: "null

আপনি জানেন কি? ঋত্বিক রোশন একজন প্রতিবন্ধী। আমার কথা বিশ্বাস হচ্ছে না। না হবারই কথা। “কহোনা প্যায়ার হ্যা” দিয়ে মাত করে দেওয়া হিরো আবার প্রতিবন্ধী কিভাবে হয়। নিশ্চই ভাবছেন শর্মা মিঞা এখন শরাব পান করে করে ব্লগে লেখা শুরু করেছে। না জনাব, আমি মাতাল নই। আমি সত্যি কথাই বলছি।



ঋত্বিকের যখন ছয় বছর বয়স তখন থেকে শুরু হয় একটি সমস্যা- ঋত্বিক ঠিকমত কথা বলতে পারতেন না। তার কথা আটকে যেত। আমরা যেটিকে তোতলানো বলি। ‘প’, ‘ভ’, ‘এইচ’- এই ধরণের বর্ণযুক্ত শব্দে সব থেকে বেশি সমস্যা হত। আর আটকে গেলে সহসা কথা ফিরে আসতো না। এই কারণে ঋত্বিকের বাল্যকাল খুব বিড়ম্বনায় কেটেছে। পরিবার থেকে তো সাপোর্ট ছিল। কিন্তু সবকিছুর পরেও কখনও না কখনও সেই কমজোরি বড় হয়ে যায়। আর আমাদের সমাজই এমন যে- প্রতিবন্ধীদের নিয়ে মজা করা তো স্বাভাবিক মানুষদের স্বাভাবিক রঙ-ঢঙ। কলেজেও ঋত্বিক নিজের অক্ষমতার কারণে লাজুক ভাব নিয়ে চলতেন। ঋত্বিকের স্ত্রী সুজেনের সাথে প্রথম এক রেস্টুরেন্টে গিয়েও সমস্যা হয়েছিল ঋত্বিকের। খাবারে অর্ডার দিতে গিয়ে কথা আটকে যায়। তিনি বলতে পারছিলেন না। তখন সুজেন তা বুঝে নিয়ে অর্ডার দেন। এভাবেই শুরু তাদের পরস্পরকে বুঝে চলা। ঋত্বিকের যখন একুশ বছর বয়স তখন একদিন সকালে সৈকতে বেড়াতে গিয়ে দেখলেন কিছু বালক গুলতি দিয়ে খেলছে। প্রথম প্রথম না পারলে কয়েক দিন চেষ্টা করে শিখে ফেললেন। সেই শিখে ফেলাটাই তার কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে আসলো যে- আমি এটা যখন শিখতে পেরেছি তখন কথা বলাও শিখতে পারব। তারপর থেকে শুরু। একটি বর্ণ নিয়ে বিভিন্ন উচ্চারণ অনুশীলন। এভাবে করতে করতে তার কথা বলায় উন্নতি শুরু হলো। এখনও এক ঘন্টা অনুশীলন করেন তিনি প্রতিদিন। ছায়াছবির সংলাপ বলার আগেও করতে হয়। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যাওয়ার আগে কি বলবেন তা ঠিক করে নিতে হত। এখন বলতে গেলে স্বাভাবিক তিনি। কিন্তু তার প্রথম এওয়ার্ড অনুষ্ঠানে ‘থ্যাংক ইউ দুবাই’ বলার জন্য তাকে অনেক স্ট্রাগল করতে হয়েছিল। ঘরের ভেতরে অনুশীলন করতে হয়েছিল লুকিয়ে কারণ ঘর সাউন্ডপ্রুফ ছিল না। কিছুক্ষণ অনুশীলনের পরে ফ্রি স্পেসে আবার চেষ্টা করতে তাকে ওয়াশরুমে যেতে হয়েছিল।



শুধু তাই নয়। ঋত্বিকের ছিল স্কোলিওসিস; তার স্পাইন সোজা ছিল না। তিনি নাচতে পারতেন না বা একশন দৃশ্যের মত কাজ করতে গেলে তার শরীর ব্যথা হয়ে বিছানায় পড়ে থাকতে হত। পৃথিবীর বড় বড় ডাক্তার বলেছিলেন তুমি নায়ক হতে পারবে না। কারণ তুমি নাচতে পারবে না। আর জোর করে করতে গেলে অচিরেই তুমি হুইল চেয়ারে বসবে। তারপরে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হোন যে- আমাকে করতেই হবে। আমি যদি মারা যাই তাতেও বাধা নেই তবে আমাকে দেখে যেতে হবে। এভাবেই ঋত্বিকের পথ চলা।



ভাবতে অবাক হচ্ছেন? যোদা-আকবরের মত ছায়াছবিতে কঠিন সব ফারসী শব্দের সংমিশ্রিত সংলাপ যিনি অনায়াসে করেছেন তার কি কোন সমস্যা থাকতে পারে? নাচের আলাদা এক স্টাইলের জন্য যিনি বলিউডে সেরা তার কি কোন অক্ষমতা থাকতে পারে? হ্যাঁ সমস্যা ছিল কিন্তু ঋত্বিক তা জয় করেছেন। আজকে হাজার হাজার মানুষের হৃদয়ে যিনি জায়গা করে নিয়েছেন। যার আগমনই ছিল কহোনা প্যায়ারের মত হিট ছায়াছবি দিয়ে। ‘কোই মিল গয়া’, ‘কৃশ’, ‘ধুম-২’, ‘যোদা-আকবর’ ইত্যাদি ছায়াছবির একজন সফল অভিনেতা ঋত্বিক।



ঋত্বিক এক স্মৃতির কথা বলছিলেন। তার বাবার মাথা কামানো ছিল। দূর থেকে জনতা ডাকছিল- হেই রাকেশ রোশন, টাকলু রোশন। ঋত্বিকের খুব রাগ হয়েছিল- তার বাবাকে নিয়ে লোক মজা করছে। পরে ভাবলেন- হ্যাঁ এটাই সত্যি। টাক হয়েছে তো কি হয়েছে। আমার পছন্দ হয়- আমি আমার বাবাকে এভাবেই ভালবাসি। ঋত্বিক মনে করেন- যে যেভাবে আছে সে সেভাবেই যেন নিজেকে নিয়ে সুখী হয়। এই সমস্যাগুলো না থাকলে হয়তো তিনি আজকের ঋত্বিক হতে পারতেন না।



সত্যিই- একজন কামিয়াব হিরোর সফলতার পেছনের কাহিনীতে কত সংগ্রাম জুড়ে আছে। জীবন কারও জন্য পুষ্প শয্যা হয়ে থাকে আর কাউকে কন্টক শয্যায় পুষ্প শয্যা বানাতে হয়।



আসুন- আমরা প্রতিজ্ঞা করি, কোন প্রতিবন্ধীকে নিয়ে হাসি-ঠাট্টা-তামাশা করবো না।





*সূত্রঃ তেরে মেরে বিচ মেঁ"

আমার খুব প্রিয় কিছু ক্রিয়েটিভ বিজ্ঞাপন চিত্র

আমার খুব প্রিয় কিছু ক্রিয়েটিভ বিজ্ঞাপন চিত্র: "আমার খুব প্রিয় কিছু ক্রিয়েটিভ বিজ্ঞাপন চিত্র দিলাম, আশা করি আপনাদের ও ভালো লাগবে।বিজ্ঞাপন গুলোর মেসেজ খুব সহজেই পাঠক মাত্রেরই নিকট ধরা দিবে বলে বিশ্বাস। তাই কোন প্রকার মন্তব্য বা বর্ণণা দানে বিরত থাকছি। উপভোগ করুণ-



























































"

এরকম খবর আরও শুনতে চাই

এরকম খবর আরও শুনতে চাই: "'রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয়ে অতি সতর্ক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। ইউনেস্কো সম্মেলনে যোগ দিতে আগামীকাল সোমবার তিনি প্যারিস যাচ্ছেন। মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও ইউনেস্কো স্থায়ী প্রতিনিধি এনামুল কবিরের সঙ্গে ফোনালাপে নাহিদ তার জন্য যে কোন সাধারণ মানের একটি হোটেলে একটি সাধারণ কক্ষ বুকিং দিয়ে রাখার অনুরোধ করেছেন। তিনি রাষ্ট্রদূতকে বলেছেন, আমি গরিব দেশের জনগণের প্রতিনিধি। জনগণের টাকা আমার বিলাসিতায় ব্যয় করার জন্য নয়। কোন রকম রাত কাটিয়ে কাজ করতে পারলেই হয়। যত কম মূল্যে সম্ভব বিমানের টিকেট করতেও তিনি মন্ত্রণালয়ের সংশিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন। তিন সপ্তাহব্যাপী এই সম্মেলন শুরু হচ্ছে ৫ অক্টোবর, শেষ হবে ২৬ অক্টোবর। শিক্ষামন্ত্রী এক সপ্তাহ সেখানে অবস্থান করে ১২ অক্টোবর দেশে ফিরে আসবেন। ওইদিনই যাবেন শিক্ষা সচিব। মন্ত্রী জানিয়েছেন, এবার ইউনেস্কো বোর্ডের সদস্য পদের জন্য বাংলাদেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। সম্মেলনে যোগ দেয়ার পাশাপাশি এজন্য সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে লবিং করবেন তিনি। সেখানকার রাষ্ট্রদূতও এ ব্যাপারে লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন। সূত্র জানায়, এর আগে মালয়েশিয়ায় কমনওয়েলথ শিক্ষামন্ত্রী সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন নুরুল ইসলাম নাহিদ। সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন হোটেলে তার জন্য একটি ভিআইপি কক্ষ রাখা হয়েছে। তাৎক্ষণিক তিনি হোটেল কর্তৃপক্ষকে ডেকে ভিআইপি কক্ষটি পরিবর্তন করে একটি সাধারণ কক্ষ নিয়েছিলেন। জার্মানি সফরকালেও হোটেলের সাধারণ কক্ষে থেকেছেন তিনি। নুরুল ইসলাম নাহিদ মন্ত্রী হিসেবে বিদেশ সফরকালে কখনও পিএস কিংবা এপিএসকে সঙ্গে নেননি। ঢাকার বাইরে সফরকালে তিনি সবসময় একটি গাড়ি নিয়ে যান। সফরসঙ্গী পিএস, এপিএসকে আলাদা গাড়ি ব্যবহার করতে দেন না। তার বক্তব্য, প্রয়োজন ছাড়া কেন রাষ্ট্রীয় অর্থে জ্বালানি ব্যয় হবে। যেখানে একটা গাড়িতে যাওয়া যায়, সেখানে কেন একাধিক গাড়ি নিতে হবে। নির্বাচনী এলাকায়ও তিনি খুবই সাধারণভাবে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে থাকেন।'"